April 19, 2026, 10:09 pm

বেনাপোলে ২ কেজি ৭৬০ গ্রাম কোকেন ও ১ কেজি ৬৯২ গ্রাম হিরোইন উদ্ধার করেছে বর্ডার বাংলাদেশ বিজিবি ।

বেনাপোল: যশোরের বেনাপোল রেলষ্টেশনে বেতনা এক্সপ্রেস ট্রেনে অভিযান পরিচালনা করে ২ কেজি ৭৬০ গ্রাম কোকেন ও ১ কেজি ৬৯২ গ্রাম হিরোইন উদ্ধার করেছে বর্ডার বাংলাদেশ বিজিবি সদস্যরা।

রোববার (৩ নভেম্বর) বিকালে অভিযান পরিচালনা করে মাদকের এ চালান উদ্ধার করা হয়।

যশোর ব্যাটালিয়ন (৪৯ বিজিবি) এর অধিনায়ক লে. কর্নেল সাইফুল্লাহ্ সিদ্দিকী জানান, মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির যথাযথ বাস্তবায়নকল্পে মাঠ পর্যায়ে বিজিবি’র আভিযানের অংশ হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে মাদক ও চোরাচালান মালামাল আটকের ক্ষেত্রে গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতাই রোববার বিকেল সাড়ে ৪টার সময় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বিজিবি’র একটি টহলদল বেনাপোল রেল স্টেশনে খুলনা-মোংলা-বেনাপোল রুটের বেতনা এক্সপ্রেস ট্রেনে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে ট্রেনের ভেতর একটি ব্যাগ তল্লাশি করে ব্যাগের মধ্যে হতে দুইকেজি ৭৬০ গ্রাম কোকেন ও এককেজি ৬৯২ গ্রাম হেরোইনের মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে উপস্থিত যাত্রীদের জিজ্ঞাসাবাদে উক্ত ব্যাগের কোন মালিক পাওয়া যায়নি।

যশোর ব্যাটালিয়নের (৪৯ বিজিবি) উপ অধিনায়ক মেজর ফারজিন ফাহিম জানান, উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যের আনুমানিক মূল্য ১ কোটি ৭১ লাখ ৮৪ হাজার টাকা। উদ্ধার হওয়া মাদকদ্রব্য ধ্বংসে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বেনাপোল প্রতিনিধি মোঃ মুক্তার হোসেন

এই বিভাগের আরও খবর


অ্যামোনিয়া সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) সারকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কারখানার অ্যামোনিয়া মজুদ শেষ হয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ সার উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়। ডিএপিএফসিএল সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)-তে ইউরিয়া সার ও অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। অথচ ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই দুই কারখানা থেকে অ্যামোনিয়া সংগ্রহ করে সার উৎপাদন চালিয়ে আসছিল। ফলে সিইউএফএল ও কাফকো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ডিএপিএফসিএলে অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় মজুদ অ্যামোনিয়া ব্যবহার করে কিছুদিন উৎপাদন অব্যাহত রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত শনিবার সন্ধ্যায় তা ফুরিয়ে যায় এবং উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দেশের কৃষি খাতে সুষম সার ব্যবহারের নিশ্চয়তা এবং নাইট্রোজেন ও ফসফরাসসমৃদ্ধ যৌগিক সারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিসিআইসি নিয়ন্ত্রিত এই কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় স্থাপিত কারখানাটিতে দৈনিক ৮০০ মেট্রিক টন উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট (ডিএপি-১ ও ডিএপি-২) রয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে রয়েছে। ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুল হক জানান, গত ৪ মার্চ থেকে অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। মজুদ দিয়ে উৎপাদন চালানো হলেও এখন তা শেষ হয়ে গেছে। অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুনরায় চালু না হওয়া পর্যন্ত কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকবে।

ফেসবুকে আমরা